মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

নদ-নদী

করতোয়ানদীঃ

হিমালয় পর্বতের পাদদেশে নেপালের পর্বতমালা হতে করতোয়ার উৎপত্তি। অতঃপর গাইবান্ধা জেলার মধ্য দিয়ে গোবিন্দগঞ্জ অতিক্রম করেছে এ নদী কে অবশ্য ব্রহ্মপুত্রের উপনদী বলা হয়। বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার ময়দান হাটা ইউনিয়নস্থ পলাশী মৌজার পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে কালাই-শিবগঞ্জ থানা সীমানা বরাবর প্রায় ২ মাইল প্রবাহিত হয়ে কচুয়া মৌজার পশ্চিমদিকে একটি বাঁক নিয়ে গোটিলা, উত্তরকৃষ্ণপুর, ছান্দার, কিচক ইউনিয়নস্থ পাতাইর মৌজায় পৌঁছে দ্বিধা বিভক্ত হয়ে যায়। ১টিশাখা পাতাইর এবাঁকনিয়ে উত্তরদিকে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে মাদারগাছি পারহয়ে সোজা মাতিয়ানে পড়ে। ২য় শাখা টি সোজা দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে মাতিয়ান, গোপীনাথপুর, আটমুলইউনিয়নেরচককানু; শিবগঞ্জইউনিয়নেরচকগোপাল, বিহার ইউনিয়নের নাতমরিচায় এসে এটি ২ ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ১টি শাখা বগুড়া-গাইবান্ধা সড়ক অতিক্রমপূর্বক অাঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়ে যথাক্রমে রায়নগর ইউনিয়নের তেখড়িয়া, আচলাইতে এসে আবার দ্বিধাবিভক্ হয় যার প্রথমটি মোকামতলা ইউনিয়নের ভাগকোলা, আচলাই, সারাজীপার আচলাই, মুরদাপুর দিয়ে গাইবান্ধা বগুড়া সড়ক অতিক্রম পূর্বক সোনাতলা থানায় প্রবেশ করে, আর দ্বিতীয়টি আচলাই, পার-আচলাই আলোকদিয়ার, রায়নগর ইউনিয়নের করতিকোলা, চান্দিজান, অনন্তবালা, আবারবগুড়া-গাইবান্ধা সড়ক অতিক্রমপূর্বক নগর কান্দিতে ৩/৪ টি বাঁক নিয়ে বগুড়া সদরে প্রবেশ করে। এখানে উল্লেখ করা দরকার যে, প্রথম বিভক্তির ২য় শাখাটি সোজা দক্ষিণে বিহার ইউনিয়নস্থ ডাহিলা, ভাসুবিহার হয়ে নাগর নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

করতোয়া নদীটি বগুড়া সদর থানার গোকুল ইউনিয়নস্থ পারদক্ষিণ ভাগ, ধাওয়াকোলা, বাঘোপাড়া, ঠেংগামারা, নিশিন্দারা ইউনিয়নের বারবাকপুর, ফুলবাড়ী, বগুড়া পৌরসভাস্থ চেলুপাড়া, সাবগ্রাম ইউনিয়নের নাটাইপাড়া, ভাতকান্দি, সুলতানগঞ্জ ইউনিয়নের মালতীনগর, চকলোকমান, হয়ে শাজাহানপুর উপজেলার লতিফপুর,  বেতগাড়ী, সুজাবাদ, খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের  খালিশাকান্দি, দুবলাগাড়ী , চুপিনগর ইউনিয়নের চুপিনগর, বৃকুষ্টে, আড়িয়া ইউনিয়নের আড়িয়া,জামালপুর আমরুলা ইউনিয়নের ডেমাজানী ও মারিয়া হয়ে শেরপুর থানার গাড়িদহ ইউনিয়নস্থ কানুপুর মৌজায় প্রবেশ করে এবং আঁকা বাঁকা পথে রামনগর, বাংগারা, জোয়ানপুর, হাজিপুর, শেরপুর পৌরসভার রনবীরবালা, মির্জাপুর ইউনিয়নের গেরুসা, কৃষ্ণপুর, মদনপুর, কাশিয়াবালা হয়ে বিনোদপুরে হলহলিয়ার সঙ্গে মিশে যায় এবং মূল শাখা টি বাঁক নিয়ে ছাতরা, হারা জীতে এসে একটি পরিত্যক্ত পথ তৈরি করে। অর্থাৎ অশ্বখুরা কৃতি ধরনের একটি ভূমি রূপ সৃষ্টি করে নিম্ন দিকে অগ্রসর হতে থাকে যা গারো, হল দিবাড়ি, দড়িহাসড়া, সদরহাসড়া, ঘোগা, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া সড়ক ছেদপূর্বক গড়াই মৌজার পশ্চিম হয়ে মরা করতোয়া নামে বড়াই দহ হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানায় প্রবেশ করেছে। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০/৫৫ মাইল এবং এর তীরে দাড়িদহ, বগুড়া,শাজাহানপুর, শেরপুর, মির্জারপুর, ঘোগা ইত্যাদি সুপরিচিত জনপদ অবস্থিত।